পুলিশ জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই রায়হান আত্মগোপনে ছিলেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও র্যাব-১০-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
মামলার বিবরণ ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ইফতেখার মাহমুদের বরাতে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই রাতে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে কর্মরত এক টুরিস্ট পুলিশ সদস্যের বাড়িতে পারভেজ ও তার সহযোগীরা প্রবেশ করেন। এ সময় তারা ডাকাতির পর ওই পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে পাটগ্রাম উপজেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল ১১ বছরের ওই শিশু। তার বাবা দিনমজুর। আসামি মোক্তার আলী তাদের প্রতিবেশী হওয়ায় শিশুটি তাকে ‘দাদু’ বলে ডাকত।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোংলা পৌর শহরের পৌর মার্কেটের বিপরীতে বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পারভেজ খুলনা সদরের বয়রা ২৩ নম্বর রোডের বাসিন্দা সাখাওয়াত ব্যাপারীর ছেলে।
বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম। তিনি জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২৫ বছর বয়সী এক তরুণী নয়ন মন্ডলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং শীলা বেগম নামে এক নারীর বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগে মঙ্গলবার সকালে থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উলুরচাপড় গ্রামের শিউলী মোড় এলাকায় একটি অটোরিকশা চালকের বাড়িতে তার বাক্ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়ে থাকত। শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা কাজের জন্য বাইরে গেলে কিশোরীটি বাড়িতে একা ছিল। এ সুযোগে রফিকুল ইসলাম মধু তাকে কৌশলে বাড়ি থেকে মধু মার্কেটের একটি পরিত্যক্ত দোকানঘরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল খালেক শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আসগর।