তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, নিখোঁজের দিন মোস্তফা ও ইয়াছিন কৌশলে শিশুটিকে মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয় এবং পরে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে ইটসহ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় ফেলে রাখা হয়।