এ সময় সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা এবং নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা সরকার পালন করেনি। জনগণের গণরায়ও উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে কোনো সরকার স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে সাধারণ মানুষ যথেষ্ট সচেতন। মাত্র ছয় মাসের সরকারের ওপর গত ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল। একই সঙ্গে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সংসদ (সনদ) বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এত সকালে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে আয়োজন করা সম্ভব নয়। এ সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে নেতাকর্মীদের ঘুম থেকে ওঠার বিষয়েও কটাক্ষ করেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।
মহানগর বিএনপির ওই কর্মসূচিতে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন। মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপনও পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং তাকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।