এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৫ নম্বর পিলারের সঙ্গে ১২৩ জন যাত্রী বহনকারী একটি পিকনিকের নৌকার ধাক্কা লাগে। এ সময় রাকিবুজ্জামান রকিসহ তিনজন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযানে মো. লিটন ও মো. ওয়াহাব নামে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে নিখোঁজ ছিলেন রকি।
ভরা পদ্মা। বিকেলের দমকা হাওয়ায় মুহূর্তেই উত্তাল হয়ে ওঠে নদীর ঢেউ। সেই উত্তাল জলরাশির বুকেই মায়ের কোলে করে বাড়ি ফিরছিল মাত্র ২০ দিন বয়সী তানিশা। কিন্তু মাঝপথে হঠাৎ নৌকাডুবির ঘটনায় মুহূর্তেই নেমে আসে আতঙ্ক। মায়ের সঙ্গে ভেসে যায় নবজাতক তানিশাও।
সোকোতো রাজ্য বিধানসভার প্রতিনিধি নাসিরু আদামু জানান, নৌকাটিতে থাকা যাত্রীদের বেশির ভাগের বয়স ছিল ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। দুর্ঘটনার পর ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।