এ সময় বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে সংশ্লিষ্টদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কিশোরীর অভিভাবকদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে তাকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রামেরকান্দা গ্রামের ভাড়াটে ১১ বছর বয়সী শিশুটির সঙ্গে কোলচর গ্রামের ভাড়াটে ফরহাদের বিয়ে হয়। বিয়েটি আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরে বাল্যবিবাহের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে অভিযান চালানো হয়।
সভায় সুশৃঙ্খল সমাজ ও বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সমাজের অপরাধ দমনে যুবসমাজের সৃজনশীল ভূমিকা এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের রাষ্ট্রীয় আইন ও বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার সমাসপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমাসপাড়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে মো. আল আমিনের সঙ্গে খালপাড়া গ্রামের জুয়েলের ১৩ বছর বয়সী মেয়ে মোছা. জেরিনের বিয়ের আয়োজন করা হয়। জেরিন সমাসপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।