এ সময় বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে সংশ্লিষ্টদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কিশোরীর অভিভাবকদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে তাকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টাকা পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে মালিকের খোঁজ করেন আতিকুর। দিনভর বিভিন্নভাবে প্রচার চালানোর পরও কেউ টাকার দাবিদার হিসেবে যোগাযোগ না করায় পরে মাইকিং করার উদ্যোগ নেন তিনি।
সংসারের খরচ মিটিয়ে সামান্য সামান্য করে প্রায় ১০ বছর ধরে জর্দার কৌটায় টাকা জমিয়েছিলেন মনোয়ারা বেগম ও তার স্বামী জিয়া উদ্দীন। কখনো এক হাজার টাকার নোটও জমিয়েছেন। এভাবে কষ্টের সঞ্চয় গিয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রায় ২ লাখ টাকায়। কিন্তু বিপদের দিনে সেই শেষ সম্বল কাজে লাগাতে গিয়ে দেখা গেল, দীর্ঘদিন কৌটায় পড়ে থাকায় টাকাগুলো নষ্ট হয়ে ঝাঁঝরা ও টুকরা টুকরা হয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান আমলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ শেরপুর জেলা সদর থেকে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর হয়ে রাংটিয়া পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ এক লেনের সড়ক নির্মাণ করে। এর মধ্যে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক এখনো এক লেনেরই রয়ে গেছে। অথচ সড়কের দুই পাশে সওজের পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটিতে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। আইসক্রিম আকর্ষণীয় করতে খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘনচিনি এবং বিষাক্ত রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। নোংরা পরিবেশে আইসক্রিমের কাপও তৈরি করা হচ্ছিল। পরে ফ্রিজ তল্লাশি করে এসব উপাদানে তৈরি বিপুল পরিমাণ আইসক্রিম মজুদ পাওয়া যায়।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাথাইল চাপড় গ্রামে একটি পৈতৃক সেচ নলকূপের লাইসেন্স বাতিল ও বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধভাবে বিচ্ছিন্ন রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক মো. মাসুদ রানা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বগুড়ার শেরপুর থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ মামুন নামের এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
শেরপুর সরকারি গার্লস স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত তার কন্যা মোছাঃ লুবাবা (১৩) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাবা-মাকে সব থেকে