Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / রংপুর বিভাগ / সারাদেশ / কুড়িগ্রাম / চার বছরেও চালু হয়নি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র - Chief TV

চার বছরেও চালু হয়নি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র - Chief TV

2026-09-13  নুর আমিন মিয়া, চিলমারি (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  33 views
চার বছরেও চালু হয়নি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র - Chief TV

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় কেন্দ্রটির মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও মেশিনপত্র অকেজো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কবে নাগাদ কেন্দ্রটি চালু হবে, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া ২০১৮ সালে জেলার চারটি উপজেলায় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় চিলমারীর কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ ২০২২-২৩ অর্থবছরে শেষ হয়।

কেন্দ্রটিতে স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ধান, গম ও সরিষা ভাঙানো, মসলা গুঁড়া, চিপস ও বেকারি পণ্য তৈরি, ফলের জুস উৎপাদন, দুধ থেকে দই তৈরি এবং মাছ-মাংস সংরক্ষণসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। এসব কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে।

তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রটি চালু না হওয়ায় হতাশ স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, কেন্দ্রটি চালু হলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার সুযোগ বাড়ত। এতে কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হতো।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমবায়ভিত্তিক সমিতি, বেসরকারি সংস্থা অথবা আগ্রহী উদ্যোক্তার কাছে কেন্দ্রটি ইজারা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইজারার মাধ্যমে কেন্দ্রটি পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) জাহেদুল হক চৌধুরী বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে দরপত্রের মাধ্যমে কেন্দ্রটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে চার বছর ধরে পড়ে থাকা প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রশ্ন, কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নির্মিত এই কেন্দ্রটি কবে সত্যিকার অর্থে কাজে আসবে?


Share: