পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের দেবনগড় গ্রামে চাচার কাছে জমি বিক্রি না করায় ভাতিজার বাড়ির সামনের চলাচলের রাস্তায় সুপারি গাছ লাগিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এতে বাড়ির লোকজনের চলাচলের পাশাপাশি ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ট্র্যাক্টর বের করতে না পারায় বিপাকে পড়েছে পরিবারটি।
ভুক্তভোগী নওশাদ হোসেন বিপুল দেবনগড় গ্রামের মৃত জমশেদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত তার চাচা মো. বেলাল (৫৫)। ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানানো হলেও এখনো কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেবনগড় গ্রামের মসজিদের দক্ষিণে গোলজার হোসেন ও সিরাজুল ইসলামের দুই বাড়ির মাঝখানের একটি রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নওশাদ হোসেন বিপুল ও তার পরিবারের সদস্যরা চলাচল করে আসছেন। একই রাস্তা দিয়ে ব্যবসার কাজে ট্র্যাক্টরও চলাচল করত।
সম্প্রতি ব্যবসার প্রয়োজনে বিপুলের টাকা প্রয়োজন হলে তার চাচাতো ভাই আলমানের সাড়ে সাত শতক জমি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়। চাচা বেলাল ওই জমি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে প্রায় ১৫ দিন অপেক্ষার পর বেলাল টাকা জোগাড় করতে না পারায় আলমান জমিটি অন্যত্র বিক্রি করে দেন বলে জানা গেছে।
এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর বিপুলের বাড়ির সামনের রাস্তায় লাঠিসোঁটা নিয়ে সুপারি গাছ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বেলালের বিরুদ্ধে। এতে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
এ ঘটনায় গত ৮ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন নওশাদ হোসেন বিপুল।
অভিযোগের বিষয়ে মো. বেলাল বলেন, যে জায়গায় সুপারি গাছ লাগানো হয়েছে, সেটি তার নিজের জমি। জমি কিনতে না পারায় তিনি তার পৈতৃক জমির অংশে গাছ লাগিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান জানান, রাস্তায় সুপারি গাছ লাগানোর বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।