লিখিত বক্তব্যে ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, গত ২৮ আগস্ট কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তার বোন নার্স মোছা. তাসমিয়া সুলতানাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এসব প্রচারণায় তার বোন ও পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
র্যাব ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন। একটি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়ার সূত্রে মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মাসুদ ওই নারীর মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং ফোনটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর পুরাতন হাটপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আল মামুনের সঙ্গে একই এলাকার কয়েকজনের জমিজমা ও সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার বৈঠক হলেও বিরোধের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুনীল কুমার বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ডিগ্রি বা সনদ ছাড়াই চেম্বার খুলে চিকিৎসার নামে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। তিনি রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ এবং অস্ত্রোপচারও করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উলুরচাপড় গ্রামের শিউলী মোড় এলাকায় একটি অটোরিকশা চালকের বাড়িতে তার বাক্ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়ে থাকত। শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা কাজের জন্য বাইরে গেলে কিশোরীটি বাড়িতে একা ছিল। এ সুযোগে রফিকুল ইসলাম মধু তাকে কৌশলে বাড়ি থেকে মধু মার্কেটের একটি পরিত্যক্ত দোকানঘরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের রাঙ্গামাটি পশ্চিমপাড়া এলাকায়। অভিযুক্তরা হলেন ওই গ্রামের মৃত আজিজুর রহমান মন্ডলের ছেলে শাহেদ আলী মন্ডল, মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে দুলাল সরকার এবং আব্দুস সামাদের ছেলে গোলাম হোসেন।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ছয়-সাত বছর আগে গাবতলী উপজেলার নসিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী কলোনিপাড়া এলাকার মৃত রফিকুল ইসলামের মেয়ে আবিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন হাসান। তাঁদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মোকামতলা উপজেলা বন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার পান্থাপাড়া গ্রামের কফিল উদ্দিন সরকারের ছেলে। তিনি নওগাঁর পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের (১৪ বিজিবি) সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল খালেক শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আলী আসগর।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কারখানাটিতে সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি করা হচ্ছিল। আইসক্রিম আকর্ষণীয় করতে খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘনচিনি এবং বিষাক্ত রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। নোংরা পরিবেশে আইসক্রিমের কাপও তৈরি করা হচ্ছিল। পরে ফ্রিজ তল্লাশি করে এসব উপাদানে তৈরি বিপুল পরিমাণ আইসক্রিম মজুদ পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শেরপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল উপজেলা। এখানকার ২৩০টি মৌজায় প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১২ হাজার দলিল নিবন্ধন হয়। জমি-জমা সংক্রান্ত দলিল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে সাধারণ মানুষকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় নিবন্ধন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে ছেলের রেখে যাওয়া একটি জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন চান্দু মিয়া ও ময়না বেগম। ঘরটির টিনের চাল ও বেড়ায় রয়েছে অসংখ্য ফুটো। বৃষ্টি হলেই পানি ঢুকে মেঝে কাদায় পরিণত হয়। তখন নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অন্যের বাড়িতে যেতে হয় তাদের। ছেলে বাড়িতে ফিরলে সেই সামান্য জায়গাটুকুও হয়ে পড়ে আরও সংকীর্ণ।