Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / খুলনা বিভাগ / সারাদেশ / বাগেরহাট / রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে - Chief TV

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে - Chief TV

2026-09-13  ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ  40 views
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে - Chief TV

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। দেশের জাতীয় গ্রিডে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ত্রুটির আগে কেন্দ্রটি থেকে এক হাজার একশ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর উৎপাদন ছয়শ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে।

হঠাৎ করে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে কেন্দ্রটির রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে ঠিক কী কারণে ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করতে প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীরা কাজ করছেন। ত্রুটি শনাক্ত করে দ্রুত ইউনিটটি চালুর চেষ্টা চলছে।

প্রাথমিকভাবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ত্রুটি মেরামত করে ইউনিটটি পুনরায় স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে অন্তত চার দিন সময় লাগতে পারে। ফলে এ সময়ে কেন্দ্রটির উৎপাদন ঘাটতি জাতীয় গ্রিডের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বর্তমানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে। অর্থাৎ কয়লার সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়নি। যান্ত্রিক ত্রুটিই ইউনিট বন্ধ হওয়ার কারণ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি বন্ধ থাকায় কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতার বড় একটি অংশ সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘাটতি তৈরি হলে তার প্রভাব জনজীবন ও শিল্পকারখানায় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। রামপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউনিটটি দ্রুত সচল করাই এখন কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।


Share: