স্থানীয়রা জানান, দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ নদীর পানিতে বড় আকৃতির কুমিরটি ভেসে উঠতে দেখা যায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে নদপাড়ে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। কুমিরটির বিশাল আকৃতি দেখে অনেকেই দ্রুত নদী থেকে দূরে সরে যান।
বন অধিদপ্তরের বিশেষ অনুমোদনে গত ১২ আগস্ট ধলাপাহাড়কে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী কুমিরটির দৈর্ঘ্য সাত থেকে আট ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কেজি। গত ৩ জুন বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে উদ্ধার করে এটিকে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, কাইম্যানটির কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে এটি আক্রমণাত্মক আচরণ করে এবং মুখ খুলে দাঁত বের করে সতর্ক সংকেত দেয়। এতে ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমলেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
বাগেরহাটের হযরত খানজাহান (রহ.) মাজার শরীফের দীঘিতে গোসল করতে নামা আট বছরের শিশু ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সেই আলোচিত কুমিরটিকে অবশেষে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল দীঘির পূর্ব পাড় থেকে কুমিরটিকে অক্ষত অবস্থায় ধরতে সক্ষম হয়।