প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১১ আগস্ট কারাগারে আকস্মিক তল্লাশির সময় কর্মকর্তারা রেভান্নাকে তার কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখেন। পরে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, চার্জার, পেনড্রাইভ ও একটি নোটবুক জব্দ করা হয়।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে ভারতে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সফর ঘিরে দিল্লিতে জোরদার করা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা। তবে তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি বিশেষ দিক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—বিদেশ সফরে পুতিনের মানববর্জ্যও নাকি রাশিয়ায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শনিবার ও রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন পুতিন। সম্মেলনের আগে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি চলমান বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভোজের আয়োজনে তাদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের কাছে ক্ষোভ জানাতে গেলে একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পরে একদল শিক্ষার্থী প্রধানশিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর করে।
জানা গেছে, কাজের সুবিধার জন্য কয়েকদিন আগে একটি ওয়েবসাইট থেকে ১ হাজার ৯৯৯ রুপি মূল্যের একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস অর্ডার করেন আকাশ। অর্ডারের সময়ই তিনি পণ্যের পুরো মূল্য পরিশোধ করেন। পরে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে কুরিয়ারের মাধ্যমে পার্সেলটি তার বাড়িতে পৌঁছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুয়াহাটির একটি ফ্ল্যাটে কয়েক মাস ধরে ওই দম্পতি ভাড়া থাকতেন। গত শুক্রবারের পর থেকে তাঁদের কাউকে বাইরে দেখা যায়নি। একই সঙ্গে দুজনের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। রোববার ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।
বিদ্যালয়টির বর্তমান ভবন দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ। ২০২৩ সালে একটি দেয়াল ধসে এক ছাত্রী গুরুতর আহত হওয়ার পর ভবনের একটি অংশ এখনো ধ্বংসাবশেষে পড়ে রয়েছে। এরপর থেকেই নিরাপদ ভবনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সরব ছিল। গত ২২ আগস্টের বিক্ষোভের পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
পুলিশ জানিয়েছে, গুরুভায়ুর থেকে কোডুঙ্গাল্লুরের দিকে যাচ্ছিল শিক্ষার্থীদের বহনকারী গাড়িটি। জাতীয় সড়কের একটি অংশে তখন সড়ক নির্মাণকাজ চলছিল। এ সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এক বিবৃতিতে বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত এবং কী পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
হোটেল সংকটের কারণে অনেক রোগী হাসপাতালের কাছাকাছি থাকার জায়গা পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কোথাও কোথাও কক্ষ পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করা হচ্ছে। ফলে চিকিৎসার পাশাপাশি খাবার, বিশ্রাম ও নিরাপদ আবাসন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে বাংলাদেশি রোগী ও স্বজনদের।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারী শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টকে চেকটি দিয়েছিলেন। ট্রাস্ট অর্থ উত্তোলনের জন্য চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক জানায়, হিসাবে চেকের টাকা পরিশোধ করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই।
পরিবারের অভিযোগ, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া এবং দায়িত্বে থাকা কর্মীদের অবহেলার কারণেই মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরাসরি অবহেলার অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল।