Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / রংপুর বিভাগ / সারাদেশ / গাইবান্ধা / মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, মবের চেষ্টা - Chief TV

মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, মবের চেষ্টা - Chief TV

2026-09-12  আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধা প্রতিনিধি  36 views
মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, মবের চেষ্টা - Chief TV

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দিনের দিশারী মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পল্লী চিকিৎসক হাছান আলীর বিরুদ্ধে এক সাবেক ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের অভিযোগ তোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করেন।

শুক্রবার দুপুরে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি মোড় এলাকায় অবস্থিত মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা ওই পরিবারের সদস্যদের আটক করে পুলিশে খবর দিলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়।

মাদরাসা সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের জিবু মিয়া তার স্ত্রী, পরিবারের সদস্য এবং মেয়েকে নিয়ে মাদরাসায় যান। সেখানে তাদের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং জিবু মিয়াসহ পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার তদন্তের জন্য তাদের থানায় নেওয়া হয়েছে।

মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এর আগে ওই ছাত্রীকে ঘিরে প্রতিষ্ঠাতা হাছান আলীর বিরুদ্ধে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি নিয়ে থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ করা হয়। তাদের দাবি, পরবর্তীতে অভিযোগের ধরন পরিবর্তন করে ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের ছেলে পল্লী চিকিৎসক নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মাদরাসায় এসে মব তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তার দাবি, মেয়ের বিয়ের জন্য বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় পরে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা হাছান আলী বলেন, ওই ছাত্রীকে তিনি সন্তানের মতো দেখতেন এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তার কাছ থেকে কম বেতন নেওয়া হতো। তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে তিনি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

অন্যদিকে ছাত্রীর বাবা জিবু মিয়া বলেন, তিনি মেয়ের বিষয়ে বিচার চান এবং মেয়ের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজমুল হুদা জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল বলেন, জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। মেয়ের পরিবারের অভিযোগ থাকায় তাদের থানায় নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Share: