Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / ঢাকা বিভাগ / সারাদেশ / গাজীপুর / গাজীপুরে খণ্ডিত নারীর লাশ, রহস্য উদঘাটন পিবিআইয়ের - Chief TV

গাজীপুরে খণ্ডিত নারীর লাশ, রহস্য উদঘাটন পিবিআইয়ের - Chief TV

2026-09-14  ডেস্ক রিপোর্ট  35 views
গাজীপুরে খণ্ডিত নারীর লাশ, রহস্য উদঘাটন পিবিআইয়ের - Chief TV

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ডোবার পানিতে ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভাসমান নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার এবং মিজানুর রহমান মিল্টন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, নিহতের জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও এক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার।

তিনি জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর জয়দেবপুরের ভবানীপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের পানিতে একটি ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে সেগুলো থেকে এক নারীর খণ্ডিত ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিচয় ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই। তথ্যপ্রযুক্তি, ঘটনাস্থল বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একপর্যায়ে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত নারী ৩০ বছর বয়সী ডলি আক্তার। তিনি জয়দেবপুরের বানিয়ারচালা এলাকায় ভাড়া বাসায় একাই থাকতেন।

পিবিআইয়ের দাবি, ডলির সঙ্গে মিশন ইসলামের প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে খাবার খান। পরে ডলিকে ঘুমের ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ানো হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পিবিআই জানায়, ওই রাতে ডলিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে মিশন একটি স্যুটকেস কেনেন। মরদেহ স্যুটকেসে না ধরায় তা গোপন করার জন্য খণ্ডিত করে আলাদাভাবে প্যাকেট করা হয়। এরপর বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনের সহায়তায় স্যুটকেস ও বস্তা অটোরিকশায় করে ভবানীপুর এলাকায় নিয়ে খালের পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে পিবিআই।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর মিজানুর রহমান মিল্টন, মিশন ইসলাম ও বানু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মিশনের বাসা থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, ডলির জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও এক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি রয়েছেন কি না এবং হত্যার পেছনে আরও কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


Share: