আসিফ জানান, রাজধানীর বীর উত্তম সিআর দত্ত রোডের পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে তার ভাগ্নির ছেলেকে গত ১ সেপ্টেম্বর ভর্তি করা হয়। শুরুতে চিকিৎসকেরা শিশুটির রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, লাভলী ঘরামীকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য হাবিবা ক্লিনিক অ্যান্ড বারিশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে অস্ত্রোপচার করার কথা থাকলেও সেখানে প্রত্যাশিত চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না বলে দাবি করেন লাভলী। তার অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মোবাইলের আলো ব্যবহার করে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার করা হয়। এ সময় তার জরায়ু ও মূত্রথলিতে গুরুতর ক্ষ
পরিবারের অভিযোগ, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া এবং দায়িত্বে থাকা কর্মীদের অবহেলার কারণেই মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সরাসরি অবহেলার অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, নির্ধারিত নিয়ম মেনেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল।