Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / ক্যাম্পাস / 'ভাই' না বলে 'ব্রো' বলায় দুপুরে কথা-কাটাকাটি, রাতে তুমুল মারামারি - Chief TV

'ভাই' না বলে 'ব্রো' বলায় দুপুরে কথা-কাটাকাটি, রাতে তুমুল মারামারি - Chief TV

2026-09-09  ডেস্ক রিপোর্ট  43 views
'ভাই' না বলে 'ব্রো' বলায় দুপুরে কথা-কাটাকাটি, রাতে তুমুল মারামারি - Chief TV

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) লিফটে ওঠার সময় ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ বলাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে রাতে শেরেবাংলা হল প্রাঙ্গণে ফের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

আহতরা হলেন অ্যানিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী হোসাইন শরীফ এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান রুম্মান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে বিজয়-২৪ হলের লিফটে ওঠার সময় রাতুল হোসাইন শরীফকে ‘হেই ব্রো, লিফটটি ধরেন’ বলে ডাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাতে শেরেবাংলা হলের ডাইনিংয়ের সামনে দুপুরের ঘটনা নিয়ে আবারও তর্কাতর্কি ও মারামারি হয়।

রুম্মানের অভিযোগ, দুপুরে ক্লান্ত থাকায় তিনি শরীফকে ‘ভাই’ না বলে ‘ব্রো’ বলে লিফটটি ধরতে বলেছিলেন। এতে শরীফ তার পরিচয় জানতে চান এবং তাকে লিফটে উঠতে বাধা দেন। রাতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে তাকে বকাঝকা ও মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে শরীফের দাবি, রাতে রুম্মানসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে পরিচয় জানতে চান এবং একপর্যায়ে তাকে আঘাত করেন। নিজেকে রক্ষা করতে গেলে তার হাত লেগে রুম্মানের কপাল কেটে যায় বলে দাবি করেন শরীফ।

শরীফ আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে ছাত্রদল নেতা জিব্রাইল শরীফ কমপক্ষে ১৫ জনকে নিয়ে এসে তার কলার ধরে হলের বাইরে নিয়ে যান। এ সময় তাকে গালাগালি, ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া, পুলিশে দেওয়া ও মামলা করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে জিব্রাইল শরীফ বলেন, হলের সামনে হইচই শুনে তিনি সেখানে যান। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য শরীফ ও তার ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গেস্টরুমে বসতে চেয়েছিলেন। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘটনার একপর্যায়ে জিব্রাইল শরীফ, মোহাইমিনুল ইসলাম ও হামিদুর রহমান হিমেল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে জিব্রাইল শরীফের সঙ্গে ২১ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতাহাতি হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে পরে কিছু শিক্ষার্থী নবাব সিরাজউদ্দৌলা হলে গিয়ে জিব্রাইল শরীফের কক্ষ ভাঙচুর করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আফরান আলী বলেন, যতটুকু বুঝেছেন, এটি ব্যাচভিত্তিক ঝামেলা। বিষয়টি আরও পরিষ্কার হওয়ার চেষ্টা চলছে। বুধবার সবাইকে নিয়ে বসে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Share: