একসময় এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসা ছিল মাটির তৈরি ওই দোতলা ভবনটি। সময়ের সঙ্গে ভবনের দেয়াল দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে মাটির আস্তরণ খসে পড়েছে, নষ্ট হয়ে গেছে দরজা-জানালা। পুরোনো হয়ে গেছে টিনের ছাউনিও। রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও বিকল্প অবকাঠামো না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। পরিদর্শনকালে হাসপাতালের বেশ কিছু অনিয়মও তার নজরে আসে।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই চিঠির অনুলিপি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়। চিঠিতে দেবিদ্বারের সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স, অবকাঠামো, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দারিদ্র্যের কারণে দীর্ঘদিন চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন রোকেয়া বেগম। চিকিৎসার খরচ বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে রয়েল কমিউনিটি চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টারে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও অপারেশনের সুযোগ পান তিনি। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।