ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে কাগজে-কলমে ১১০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে পাওয়া গেছে ভিন্ন চিত্র। বিদ্যালয়ের কোনো শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীর দেখা মেলেনি। বরং শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চজুড়ে ছাগলের বিচরণ এবং মলমূত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে। জরাজীর্ণ হোয়াইট বোর্ডে জমেছে ধুলোবালি ও মাকড়সার জাল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খায়রুল ইসলাম পলাশ পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়নের ভবানিপুর গ্রামে। কিছুদিন আগে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ইসরাত জাহান লিজার বাড়িতে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করতেন তিনি।