Author: জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি
জাহিদুল ইসলাম (গাইবান্ধা প্রতিনিধি)
Posts by জাহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন কৃষককে ২৫ কেজি সার দেওয়ার কথা থাকলেও সিরিয়ালে কৃষকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ কেজি করে সার দেওয়া হচ্ছে।
চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় নদী পারাপার যেন নিত্যদিনের অংশ। অনেক পরিবারের বসতি নদীর এক পাড়ে হলেও গবাদিপশুর জন্য পর্যাপ্ত ঘাস পাওয়া যায় অন্য পাড়ের চরে। ফলে দিনের বিভিন্ন সময়ে গরু নিয়ে নদী পার হয়ে চরাঞ্চলে যেতে হয় তাদের। সেখানে গরুগুলোকে ঘাস খাওয়ানোর পর আবার নদী পার করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন তারা।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ হয়ে দোকানে প্রবেশ করেন। পরে তারা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত ও নিয়ে যান। এ সময় দোকান মালিককে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসায় পাঠদান শেষে ওই ছাত্রীকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেওয়ার পর তার সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার সন্ধ্যায় সাদিয়া তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোন ব্যবহারের জন্য চায়। তার মা ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাকে পড়তে বসতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর সাদিয়া নিজের কক্ষে চলে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা বেশি। সেখানে চিকিৎসা পাওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও সহজলভ্য থাকা জরুরি। কিন্তু ওষুধ না পাওয়ায় অনেক রোগীকেই বাড়তি টাকা খরচ করে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট গাইবান্ধা জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রনজিত বকশি সূর্য আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে পৌরসভা এলাকার ভিএইড রোডে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা ডিবি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ও ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এর অংশ হিসেবে রেজা মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রেজা মিয়া (৩৯) ও মো. আয়নাল হক (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে। মাদকের বিস্তার রোধ, মাদক কারবারিদের শনাক্ত এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশরুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ দেখতে পান অন্য পুলিশ সদস্যরা। পরে গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া কয়েকবার ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে দরজা খুলে ভেতরে হাবিবুরকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটক মো. আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মুরগির ব্যবসার আড়ালে তিনি নিজের দোকান থেকেই নিয়মিত মাদক বিক্রি করতেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।