Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / চট্টগ্রাম বিভাগ / সারাদেশ / চাঁদপুর / হাজারো মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক, আজ নিজেই বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন - Chief TV

হাজারো মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক, আজ নিজেই বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন - Chief TV

2026-09-11  ডেস্ক রিপোর্ট  31 views
হাজারো মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক, আজ নিজেই বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন - Chief TV

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করে অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবন গড়েছেন এইচ. এম. মনজুর হোসেন। চাঁদপুরের কচুয়ার এই শিক্ষক বর্তমানে জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন। কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হওয়ায় ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

এইচ. এম. মনজুর হোসেন (৫৫) চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার নলুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার ধড্ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। দীর্ঘ বছর ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত থেকে তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীকে পাঠদান করেছেন।

গত ১৯ আগস্ট শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্বস্তি ও দুর্বলতা অনুভব করলে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান তিনি। পরে তার একটি কিডনি গুরুতরভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর থেকেই নিয়মিত চিকিৎসার মধ্যে রয়েছেন তিনি।

বর্তমানে কিডনি জটিলতার কারণে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হচ্ছে। কুমিল্লার মুন হাসপাতালে সপ্তাহে একাধিকবার ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে। ডায়ালাইসিস ও অন্যান্য চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ভবিষ্যতে তার কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হতে পারে।

মনজুর হোসেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সহযোগী অধ্যাপক ও কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. বাবলু কুমার পাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে মনজুর হোসেনের পরিবার। পরিবারের আয়ের প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি। অসুস্থতার পর নিয়মিত চিকিৎসা ব্যয় চালিয়ে যাওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

মনজুর হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করে তার হাত ধরে অনেক শিক্ষার্থী আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কিন্তু কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা প্রয়োজন, যা পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। তাই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবান, প্রশাসন ও মানবিক মানুষের কাছে সহযোগিতা চান তিনি।

তিনি আরও জানান, নিয়মিত ডায়ালাইসিসের ব্যয় বহন করাও পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। মানুষের সামান্য সামান্য সহযোগিতাও তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে বড় সহায়তা হতে পারে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহকর্মী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতায় মনজুর হোসেনের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের আশা, সম্মিলিত সহায়তায় তিনি আবারও সুস্থ হয়ে শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারবেন।

সহযোগিতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিকাশ নম্বর ০১৯১২৪৬১৫৭৯ এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেডের হাজীগঞ্জ শাখার হিসাব নম্বর ০১০০০৩৯৫৭৫৮২০ দেওয়া হয়েছে।


Share: