নওগাঁর মহাদেবপুরে টাকার বিনিময়ে প্রতিবন্ধী ভাতার ভুয়া কার্ড দেওয়ার অভিযোগে জনি আক্তার জুঁই নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশ। পরে জুঁই ও তার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার ভীমপুর গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, জুঁই প্রতিবেশী তহমিনা, আনোয়ারা, মনোয়ারা ও রেনুকার কাছ থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নেন। পরে তাদের ভুয়া কার্ড দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ছাড়া একই এলাকার আরও ১০ জনের কাছ থেকেও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে দফায় দফায় প্রায় ৭৯ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে জুঁইয়ের বিরুদ্ধে। কার্ড করে দিতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পরে তিনি টাকা ফেরত দিতে নানা টালবাহানা শুরু করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা ফেরত চাওয়ায় জুঁই ও তার পরিবারের সদস্যরা তাদের ভয়ভীতি দেখানোসহ মারমুখী আচরণ করেন। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে টাকা ফেরত দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তহমিনা ও রেনুকা বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও মহাদেবপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পুলিশ জুঁইকে তার বাড়ি থেকে আটক করে।
তবে জুঁইয়ের দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ষড়যন্ত্রমূলক।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানান, জুঁই ও তার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়ার পর ওই রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।