বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের ফহিমপুর গ্রামের কাটাবাড়ি মোড়সংলগ্ন নজিপুর-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি নয়নজুলি ডোবায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা বিষয়টি পত্নীতলা থানা পুলিশকে জানান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৯ নম্বর বিসি দাস স্ট্রিটের ওই ভবনে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভবনের নিচতলার পাশের মাটি খুঁড়ে ওয়াসিম রনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নতুন বাজারের বন বিভাগের কার্যালয়সংলগ্ন এলাকায় ময়লা অপসারণ করছিলেন। এ সময় ময়লার স্তূপের মধ্যে দুটি নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান তারা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওহাব মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
সোমবার দুপুরে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের রানাগাতী গ্রামের মোল্যাবাড়ির বাগান থেকে মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় বাহারুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা সকালে বাগানের ভেতর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ফুলপুর থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন জানান, রাশেদুল নিখোঁজ হওয়ার পরদিন তার মুঠোফোন থেকে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
উদ্ধারকাজে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির সংকট থাকায় সীমিত সক্ষমতায় অভিযান চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, গাজার আরও ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের নিচে এক হাজারের বেশি মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে কুচা, লাইট ও ব্যাগ নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন রুবেল। এরপর রাতে আর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা কদমতলা এলাকার একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে দারোগার মোড় এলাকার স্থানীয় কবরস্থান থেকে শামীমের মরদেহ তুলে নিয়ে যান তার ভক্তরা। শনিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্বজনেরা কবরস্থানে গিয়ে কবরটি খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা দরবার প্রাঙ্গণে নতুন একটি মাটিচাপা কবরের সন্ধান পান।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যার পর মরদেহটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে রাখা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা জানান, শনিবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান সাথী। রোববার সকালে তার শাশুড়ি গৃহস্থালির কাজে পানি আনতে বাইরে যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। তবে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি সন্দেহ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন-চার মাস আগে রিমা ওই বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। বাসা নেওয়ার সময় নিজেকে বিবাহিত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। গত তিন-চার দিন ধরে কক্ষটির দরজা বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান প্রতিবেশীরা।