টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা এজাজুল করিম রেজাউল। এরই মধ্যে মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সেলিম ওরফে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে থাকা কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর সকালে মোশারফ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। সেখানে চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর মোশারফ কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, পরে মোশারফের সহায়তায় ইমাম হাসান হৃদয় ও সেলিম ওরফে আল আমিন ওই কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কবিরাজি চিকিৎসার অজুহাতে কিশোরীর ওপর যৌন নির্যাতন চালান। কিশোরীর চিৎকার শুনে স্বজনরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় অরণখোলা এলাকার বাহারাম বাদশার ছেলে ইমাম হাসান হৃদয় (২৩), গোপদ এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭) এবং মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে সেলিম ওরফে আল আমিন (৩১)কে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার পর রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরীর বাবা মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ। অভিযান চালিয়ে সেলিম ওরফে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।