স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকলিমা আক্তার তিন দিন আগে তার আগের স্বামীর ঘরে জন্ম নেওয়া মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতে আসেন। এ সময় তার নিজের ছেলে আশরাফুল শাহিন আলমের প্রথম স্ত্রীর কাছে থাকায় বিষয়টি নিয়ে তিনি আপত্তি জানান। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
আসিফ জানান, রাজধানীর বীর উত্তম সিআর দত্ত রোডের পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে তার ভাগ্নির ছেলেকে গত ১ সেপ্টেম্বর ভর্তি করা হয়। শুরুতে চিকিৎসকেরা শিশুটির রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
লাবিবকে পানিতে দেখতে না পেয়ে সঙ্গে থাকা শিশুরা দ্রুত স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা পুকুরে নেমে দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশের মাঠে জমে থাকা বর্ষার পানিতে গোসল করতে নামে শিশুরা। একপর্যায়ে একজন পানিতে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পরপর আরও দুজন পানিতে ডুবে যায়।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কোরবান আলী নিজস্ব ট্রাক্টর নিয়ে বিলে জমি চাষ করতে যান। এ সময় ত্বহাও বাবার সঙ্গে ট্রাক্টরে ছিল। একপর্যায়ে বাবার অগোচরে ত্বহা ট্রাক্টর থেকে নিচে পড়ে যায়। পরে ট্রাক্টরের চাকায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, প্রবাসফেরত মাহমুদুল হাসান স্ত্রী রুমি আক্তার, ছেলে আব্দুর রহমান (৭) ও মেয়ে মারিয়া মাহরীনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে একটি দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। পথে বিরামপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংকের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি অটোরিকশা তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা পরিবারের সদস্যসহ কয়েকজন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, সকালে আয়েশা তার নানা মোন্তাজ উদ্দিনের বাড়ির মাটির ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘরের মাটির দেয়াল ধসে তার ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। পরে তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে মাইজদীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফারিয়া মায়ের হাত ধরে ছেংগারচর বাজারের সুরুজ প্লাজার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়।
নিহতরা হলো খেলনা ইউনিয়নের রসপুর গ্রামের তহিদুল ইসলামের ছেলে জিসান (৮) এবং দেলোয়ার হোসেনের ছেলে তাহমিদ হোসেন (৮)। তারা সমবয়সী এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।