পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি দুই শিশু মাদরাসা থেকে বাড়িতে যাওয়ার পর সেখানে আর ফিরতে অনীহা প্রকাশ করে। পরে তারা পরিবারের কাছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত আখিনুরও একই মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। মাদরাসায় যাওয়া-আসার পথে সে ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে থাকা কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর সকালে মোশারফ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। সেখানে চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর মোশারফ কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে আব্দুল গনির আগের সংসারের ছেলে সাইফুলের একটি ছাগল কুলছুমার লাগানো শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে সাইফুল ও তার বোনদের সঙ্গে কুলছুমার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তার শরীরে গরম ভাতের মাড় ঢেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালান বিজিবি সদস্যরা। এ সময় মোটরসাইকেলের চালক মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদারকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্সে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত অবস্থায় ৫৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে থাকা দুটি আইফোন ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। শিশুটি তাদের মাদক সেবনের ঘটনা দেখে ফেলেছিল এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দিতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই তাকে নির্যাতন করা হয় বলে পরিবারের দাবি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মোংলা পৌর শহরের পৌর মার্কেটের বিপরীতে বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পারভেজ খুলনা সদরের বয়রা ২৩ নম্বর রোডের বাসিন্দা সাখাওয়াত ব্যাপারীর ছেলে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, জাল নোট ও অপরাধবিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে, পয়না বাজারের ওই দোকানে কম্পিউটারের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করা হচ্ছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত জব্বারের স্ত্রী মিনারা আক্তার বাদী হয়ে মন্টুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। জব্বার দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সচিবালয়ে আউটসোর্সিং ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মূল আসামি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের এক নারীর কথিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিয়াগাড়ী ও মাতাসাগর এলাকায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।